কালবৈশাখীর তাণ্ডবে গোটা রাজ্যের সাথে বিশালগড় মহকুমাও প্রায় লন্ডভন্ড অবস্থা।এদিন আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী সকালেই প্রবল ঘূর্ণিঝড় বইতে থাকে।ফলে গোটা মহাকুমার বেশ কয়েকটি জায়গায় যেমন গকুলনগরস্থিত টিএসার প্রথম ব্যাটেলিয়ানের সামনে বিশালাকার গাছ ভেঙ্গে পড়ে কমলাসাগর কালী মন্দিরে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়ে।অন্যদিকে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালের সামনে ও সিপাহীজলা অভয়ারণ্যের সামনে বিশালাকার গাছ ভেঙ্গে পড়ে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।পাশাপাশি গোটা মহকুমা জুড়ে শতাধিক বাড়িঘরের বসত ভিটে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।কমলাসাগর কালী মায়ের মন্দিরের পুরোহিতের ঘরের ছাউনি উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মন্দিরে নব নির্মিত যাএীশেডের সিলিং ভেঙে পড়ে।ফুলতলী বাজারের একটি দোকানের ছাউনি উড়িয়ে ৫০ মিটার দূরে নিয়ে ফেলেছে।তাছাড়া বিদ্যুৎ পরিবাহী তার ও কুটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।সংবাদ লেখা পর্যন্ত গোটা মহকুমার ষাট শতাংশ এলাকা এখনো অন্ধকারে নিমজ্জিত।ফলে কত দ্রুততার সাথে বিদ্যুৎ দপ্তর গোটা মহকুমায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করতে সক্ষম হয় সেটাই লক্ষ্যনীয়।ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিশালগড় মহকুমা শাসক বিঙ্কি সাহার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এখন পর্যন্ত ২১০ টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে রিপোর্ট নথিভুক্ত হয়েছে বিশালগড় মহকুমা প্রশাসনের কাছে।আর এই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে যেসব পরিবারগুলির রান্নাবান্নার শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে গেছে এরকম ৬০ টি পরিবারকে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে তড়িঘড়ি।এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট রিলিফ ফান্ড থেকে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা তৎকাল সাহায্যে করা হয়েছে যা আগামীতে আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।
































