১৯ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের দায়ে মঙ্গলবার মধুপুর থানার পুলিশের হাতে আটক দাদু চন্দন সরকার(৫৬)।উনি আবার কমলাসাগর মন্ডলের কোষাধক্ষের স্বামী।ফলে এতবড় জঘন্য অপরাধ করা সত্ত্বেও রাজনৈতিক পরিচিতির কারণে দুদিন পর মামলা নথিভুক্ত করতে একপ্রকার বাধ্য হয় পুলিশ।খবর নিয়ে জানা গেছে কমলাসাগর বিধানসভার কোনাবন হরিহরদোলা এলাকার ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা চন্দন সরকার সম্পর্কে প্রতিবেশী মানসিকভাবে অক্ষম ১৯ বছরের যুবতীকে পরিবারের লোকজনদের অনুপস্থিতির সুযোগে ধর্ষণ করে।পড়ে পরিবারের লোকজনদের বিষয়টি নজরে এলেও রাজনৈতিক আধিপত্য দেখিয়ে নির্যাতিতার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি প্রদান করা হয় মামলা না করতে।কিন্তু বিষয়টি যে কোনভাবেই চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নজরে এলে মঙ্গলবার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব সূত্রধরের নেতৃত্বে হরিহরদোলা গ্রাম থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় চন্দন সরকারকে জালে তুলতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।বর্তমানে মধুপুর থানার পুলিশ শাসক দলীয় নারী নেত্রীর স্বামী চন্দন সরকারকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে যার নম্বর ১৭/২০২৬।অন্যদিকে নির্যাতিতা যুবতীকে চাইল্ড ওয়েল ফেয়ার কমিশনের তত্ত্বাবধানে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে মেডিকেল চেক আপের জন্য।ফলে শাসক দলীয় নারী নেত্রীর স্বামীর এই চারিত্রিক অধঃপতনে শাসক দল ব্যাপক প্রশ্নচিহ্নের মুখে কমলাসাগরে।































