রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীদের সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত পোস্টিং হচ্ছে কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র।কারণ অন্যান্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ন্যায় কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও ঢালাও হারে অর্থ বরাদ্দ সত্ত্বেও রোগীরা এখানে আসতে অনীহা প্রকাশ করে।মাসের মধ্যে বহুুদিন কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকে রোগী শূন্য।প্রায় ৬৩ হাজার জনসংখ্যার এই কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী এসেছে মাত্র ৫০ জন।অর্থাৎ দিনে গড়ে একজন করে রোগী চিকিৎসার জন্য এসেছে কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।অথচ নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির ওপিডিতে একদিনে যা রোগী আসে তা কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দুই মাসের সমান।অভিযোগ কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের অন্তর্গত প্রত্যেকটি সাব সেন্টারের স্বাস্থ্যকর্মীদের সময় মত অফিসে না আসা একটা নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে যে চিএ উঠে এসেছে তা রীতিমত চাঞ্চল্যকর।ওপিডিতে মাত্র একজন মেডিকেল অফিসারের দেখা পাওয়া গেলেও বাদবাকি আয়ুর্বেদিক, ডেন্টাল,হোমিওপ্যাথি কারোরই হাসপাতালে দেখা মেলেনি।হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ইনচার্জ ডাঃঈশিতা সিংহের বক্তব্য অনুযায়ী সকলেই নাকি ফিল্ডে।রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ কমানোর লক্ষ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে পরিষেবা আরও উন্নত করার যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে তা পুরোপুরি মাঠে মারা যাচ্ছে কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে।হাসপাতালের ইনচার্জ ডাঃঈশিতা সিংহের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে মোট ২০০ জন রোগী রেফার করা হয়েছে কাঞ্চনমালা থেকে।অথচ নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সারা বছরে রেফারের সংখ্যা মাত্র ৩৭।ডেলিভারির ক্ষেত্রে অবস্থা আরও করুন।গত বছর মাএ ৮ জন শিশুর জন্ম হয়েছে কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অথচ নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এই পরিসংখ্যান ৫৪।২০২৩ সালের ১২ জুন অত্যাধুনিক সুযোগ- সুবিধা সম্পন্ন হাসপাতালের নবনির্মিত বিল্ডিং এর দ্বারোঘাটন হলেও এখনো পর্যন্ত কেন পোস্টমর্টেম পরিষেবা চালু না হওয়ার কারণ জানতে চাইলে হাসপাতালের ইনচার্জ জানান এখানে ডোমের ব্যবস্থা নেই।অথচ সারা রাজ্য জুড়ে পোস্টমর্টেমের
জন্য ডোমের ব্যবস্থা করে থাকে পুলিশ।ফলে সবদিক দিয়েই ব্যতিক্রমী হচ্ছে কাঞ্চনমালা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র।































